ভূমিকা : সরস্বতী বিদ্যার অধিষ্ঠাত্রী দেবী। এই দেবীকে আমরা বাণী, বীণাপাণি, বাগদেবী প্রভৃতি নামে আহ্বান করে থাকি। জ্ঞান, বিদ্যা ও সংগীত প্রভৃতি লাভের উদ্দেশ্যেই আমরা দেবী সরস্বতীর পূজা করে থাকি। বর্ণনা : দেবীর গায়ের রং শুভ্র। সেইজন্যে তাকে আমরা সর্বশুক্লা বলে থাকি। শ্বেত রাজহংস দেবীর বাহন ও শ্বেতপদ্ম দেবীর আসন। এই দেবী আমাদের সকল অজ্ঞানতা, সকল অন্ধতা, সকল বেদনা বিদূরিত করে আমাদের রক্ষা করে থাকেন। সময় : মাঘ মাসের শুক্লপক্ষের পঞ্চমী তিথিতে দেবীর পূজা হয়। এই বিশেষ তিথিটিকে ‘শ্রীপঞ্চমী’ বলা হয়। এই পূজায় বিদ্যালয়ের ছাত্রছাত্রীরা বেশি আনন্দিত হয়।একমাস আগে থেকেই ছাত্রছাত্রীরা অধীর আগ্রহে প্রতীক্ষা করতে থাকে। আগের দিন রাত থেকে ছাত্ররা পূজার আনন্দে মেতে ওঠে। ভােরবেলা পূজার জন্যে বাগান থেকে ফুল তােলে। পরে ছাত্রীরা স্নানাদি সেরে পুজোর আয়ােজন করে। পুজোর পর তারা শ্রদ্ধাঞ্জলি দিয়ে থাকে, কেউ কেউ প্রসাদ বিতরণ করে। উপসংহার : পূজার পরদিন মহাসমারােহে দেবী প্রতিমা কোনাে জলাশয়ে বা নদীতে বিসর্জন দেওয়া হয়। এরপর বার্ষিক পরীক্ষার জন্যে ভালাে করে প্রস্তুত হবার পালা শুরু হয়।